আন্তর্জাতিক ডেস্ক : চীনের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ শিনজিয়াংয়ে সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায়ের ওপর ‘নিকৃষ্ট কড়াকড়ি’ আরোপের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। একইসঙ্গে সংখ্যালঘু উইঘুর মুসলমানদের ওপর নিপীড়নের ঘটনায় জড়িত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিষয়টি বিবেচনা করছে ট্রাম্প প্রশাসন। মঙ্গলবার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান এ তথ্য জানিয়েছে।

সম্প্রতি মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সন্ত্রাসবাদ দমনের নামে চীন তার গোপন বন্দিশিবিরে প্রায় ১০ লাখ মুসলমানকে আটকে রেখেছে। এদের অধিকাংশই উইঘুর সম্প্রদায়ের। এছাড়া কাজাখ ও অন্যান্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোকজনও আটক রয়েছে শিবিরে।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র হিদার নাউয়ার্ট এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, ‘কেবল উইঘুর কিংবা কাজাখ নয়, চীনের ওই অঞ্চলে অন্যান্য মুসলমানদের ওপর নিকৃষ্ট নিপীড়নে আমরা অত্যন্ত ক্ষুব্ধ।’

গত মাসের শেষ দিকে মার্কিন আইনপ্রণেতাদের একটি দল পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পে ও অর্থমন্ত্রী স্টিভেন এমনাচিনের কাছে শিনজিয়াংয়ে কমিউনিস্ট পার্টির নেতা চেন কুয়াঙ্গুসহ সাত চীন কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের অনুরোধ জানিয়েছিলেন। শিনজিয়াংয়ে সংখ্যাঘুদের ওপর নিপীড়নের বিষয়টি নজরদারিতে রাখেন এই চেন কুয়াঙ্গু।

এদিকে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, উইঘুর ইস্যুতে চীনা কর্মকর্তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিষয়টি এখনো আলোচনার পর্যায়ে রয়েছে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here