লাইফস্টাইল ডেস্ক: এই সময় অল্প অল্প শীত পড়তে শুরু করেছে। কিছুদিনের মধ্যেই শীতের তীব্রতা ভালোভাবেই বুঝা যাবে।
তাই এখন থেকেই যাদের প্রতিদিন হাঁটার অভ্যাস রয়েছে তাদের কিছু সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত সকলের। মর্নিং ওয়াক নিঃসন্দেহে একটি ভালো অভ্যাস। যা সকাল কে যেমন সুন্দর করে তেমনি সারাদিনেও আপনাকে ক্লান্তিহীনভাবে কর্ম উদ্দীপনা সৃষ্টি করে। পাশাপাশি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

এই শীতে সকালে হাঁটতে বের হলে কিছু সাবধানতা অবলম্বন করা জরুরি। শীতে মাটির কাছাকাছি বাতাসের স্তর ভারী থাকে। এ স্তরে বায়ুতে যে দূষণ হয় সেটি বেশি থাকে ভোর বেলা। এমনিতেই পরিবেশে বায়ুদূষণ বেশি পরিমাণে হচ্ছে তাই শীতের সকালে জেনে নিন কি কি সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত:

(১) ভোরবেলা হাঁটতে বের হওয়ার আগে অবশ্যই মুখে মাক্স পড়ে নিতে পারেন। সার্জিকেল মাস্কে কোনো কাজ হবে না। পলিউশন মাস্ক বা কাপড়ের তৈরি মাস্ক ব্যবহার করতে পারেন। মাস্ক বায়ুতে দূষণ ও ঠাণ্ডা থেকে রক্ষা করে।

(২) ঠাণ্ডার পরিমাণ খুব বেশি হলে মর্নিং ওয়াক বাদ দিতে পারেন এক্ষেত্রে সন্ধ্যাবেলায় হাঁটার অভ্যাস করুন।

(৩) যারা নিয়মিত এক্সারসাইজ করতে পছন্দ করেন তাদের বাইরে গিয়ে হাঁটার প্রয়োজন পড়ে না ঘরেই এ কাজটি সেরে ফেলতে পারেন অথবা জিমে যেতে পারেন।

(৪) শীতকালে ভোর বেলায় বায়ুতে আদ্রতা কিছুটা কম থাকে। তাই হাঁটার আগে হালকা শীত পোশাক পড়ে বেরোনো উচিত। কারণ হাঁটার ফলে শরীর গরম হয়ে পড়ে এ ক্ষেত্রে মোটা শীতপোশাক পরিহার করা উচিত।

(৫) অনেকেই মনে করেন শীতকালে মর্নিং ওয়াকে পানি খাবার প্রয়োজন পড়ে না এ ধারণাটি সম্পূর্ণ ভুল তাই সঙ্গে একটি পানির বোতল রাখতে পারেন। হাঁটার পর পানি না খেলে শরীরে পানি শূন্যতার অভাব দেখা দিতে পারে।

(৬) শীতকালে খাদ্যাভ্যাস অবশ্যই ঠিক রাখুন। তেল, চর্বি জাতীয় খাদ্য এড়িয়ে চলুন। ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার বেশি করে খাবেন। এতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে ও সর্দিকাশির জনিত রোগ বালাই সহজে আক্রমণ করতে পারে না। তাজা ফল ও শাক-সবজি জাতীয় খাদ্য বেশি করে খাবেন।

(৭) হাঁটলে ঘাম ঝরবে এটা স্বাভাবিক। কেউ একটু বেশি ঘামে কেউ আবার কম। যাদের শরীরে পানির পরিমাণ বেশি তারা একটু বেশি ঘামেন আর যাদের কম তারা কম ঘামেন। এক্ষেত্রে অযথা তাদের এ কথা বলে বিব্রত করার দরকার নেই। কেননা এ বিষয়টি নিয়ে তার ভেতর মানসিক চাপ সৃষ্টি হতে পারে। তাই এধরণের কথা থেকে বিরত থাকুন।

(৮) কেউ একটু জোরে হাঁটেন, কেউ একটু ধীরে। ব্যক্তি, বয়স ও শারীরিক সামর্থ্য অনুযায়ী এর পার্থক্য দেখা দেয়। তাই এ নিয়ে কথা না বলাই ভালো। হাঁটার অভ্যাসটাই আসল।

13 মন্তব্য

  1. Hi there, I found your web site by way of Google while searching for a comparable matter,
    your web site got here up, it appears good. I have bookmarked
    it in my google bookmarks.
    Hi there, just changed into aware of your weblog thru Google,
    and found that it’s truly informative. I’m going to be careful for brussels.
    I’ll appreciate in the event you proceed this in future.
    Numerous folks shall be benefited out of your writing. Cheers!

  2. Thanks for the marvelous posting! I definitely enjoyed reading it, you
    are a great author. I will always bookmark your blog and will eventually come back later on. I want to
    encourage yourself to continue your great writing, have a
    nice weekend!

  3. Interesting blog! Is your theme custom made or did you download it from somewhere?
    A design like yours with a few simple adjustements would
    really make my blog stand out. Please let me know where you got your theme.

    Many thanks

  4. I do agree with all the ideas you have introduced to your post.
    They’re really convincing and will certainly work. Nonetheless, the posts are very brief for
    beginners. May you please prolong them a bit from next time?
    Thank you for the post.

  5. With havin so much written content do you ever run into any problems of plagorism or copyright violation? My site has a lot of completely unique content
    I’ve either created myself or outsourced but it appears a lot of it is popping it up
    all over the internet without my agreement. Do you know any techniques to help prevent content from being stolen? I’d
    genuinely appreciate it.

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here